Wednesday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০৩:১৪ PM

ইউনিয়ন অফিস পরিদশন

কন্টেন্ট: পাতা

শিবালয় থানা পুলিশের মূল কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এর অধীনে বেশ কিছু স্থায়ী ও অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি এবং তদন্ত কেন্দ্র রয়েছে। বিশেষ করে পাটুরিয়া ঘাট এবং দুর্গম চরাঞ্চলের গুরুত্ব বিবেচনায় এই ফাঁড়িগুলো কাজ করে।

নিচে শিবালয় থানার আওতাধীন ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:

শিবালয় থানার আওতাধীন ফাঁড়িসমূহ

নাম ধরন অবস্থান ও গুরুত্ব
পাটুরিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি পদ্মা-যমুনা নদীপথের নিরাপত্তা, ইলিশ রক্ষা এবং ফেরিঘাটের নৌ-সীমানা তদারকি।
পাটুরিয়া ঘাট পুলিশ বক্স ট্রাফিক ও নিরাপত্তা ফাঁড়ি পাটুরিয়া ফেরিঘাটে যানবাহনের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
বারবারিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের শিবালয় অংশ এবং সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসন।
আরিচা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি পুরাতন আরিচা ঘাট এলাকা এবং নদীপথের চোরাচালান রোধে কাজ করে।
জাফরগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্প অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প চরাঞ্চল ও নদী সংলগ্ন এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই ক্যাম্পটি ভূমিকা রাখে।

ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রগুলোর মূল কাজ

১. দ্রুত রেসপন্স: থানা থেকে দূরবর্তী এলাকায় কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে মূল থানা পুলিশ পৌঁছানোর আগেই ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেন।

২. মহাসড়ক ও নদীপথের নিরাপত্তা: মহাসড়কে ডাকাতি রোধ এবং নদীপথে পণ্যবাহী ট্রলারে চাঁদাবাজি বন্ধে এই ফাঁড়িগুলো ঢাল হিসেবে কাজ করে।

৩. ঘাট ব্যবস্থাপনা: পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

গুরুত্বপূর্ণ নোট:

যদিও হাইওয়ে পুলিশ এবং নৌ-পুলিশ পৃথক ইউনিটের অন্তর্ভুক্ত, তবে মাঠ পর্যায়ে যেকোনো বড় ধরনের অপারেশন বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে তারা শিবালয় থানার অফিসার-ইন-চার্জ (OC) এবং জেলা পুলিশ সুপারের সাথে সমন্বয় করে কাজ করে।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন