কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০৩:১৪ PM
কন্টেন্ট: পাতা
শিবালয় থানা পুলিশের মূল কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এর অধীনে বেশ কিছু স্থায়ী ও অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি এবং তদন্ত কেন্দ্র রয়েছে। বিশেষ করে পাটুরিয়া ঘাট এবং দুর্গম চরাঞ্চলের গুরুত্ব বিবেচনায় এই ফাঁড়িগুলো কাজ করে।
নিচে শিবালয় থানার আওতাধীন ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
| নাম | ধরন | অবস্থান ও গুরুত্ব |
| পাটুরিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি | নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি | পদ্মা-যমুনা নদীপথের নিরাপত্তা, ইলিশ রক্ষা এবং ফেরিঘাটের নৌ-সীমানা তদারকি। |
| পাটুরিয়া ঘাট পুলিশ বক্স | ট্রাফিক ও নিরাপত্তা ফাঁড়ি | পাটুরিয়া ফেরিঘাটে যানবাহনের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। |
| বারবারিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি | হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি | ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের শিবালয় অংশ এবং সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসন। |
| আরিচা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি | নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি | পুরাতন আরিচা ঘাট এলাকা এবং নদীপথের চোরাচালান রোধে কাজ করে। |
| জাফরগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্প | অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প | চরাঞ্চল ও নদী সংলগ্ন এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই ক্যাম্পটি ভূমিকা রাখে। |
১. দ্রুত রেসপন্স: থানা থেকে দূরবর্তী এলাকায় কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে মূল থানা পুলিশ পৌঁছানোর আগেই ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেন।
২. মহাসড়ক ও নদীপথের নিরাপত্তা: মহাসড়কে ডাকাতি রোধ এবং নদীপথে পণ্যবাহী ট্রলারে চাঁদাবাজি বন্ধে এই ফাঁড়িগুলো ঢাল হিসেবে কাজ করে।
৩. ঘাট ব্যবস্থাপনা: পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
যদিও হাইওয়ে পুলিশ এবং নৌ-পুলিশ পৃথক ইউনিটের অন্তর্ভুক্ত, তবে মাঠ পর্যায়ে যেকোনো বড় ধরনের অপারেশন বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে তারা শিবালয় থানার অফিসার-ইন-চার্জ (OC) এবং জেলা পুলিশ সুপারের সাথে সমন্বয় করে কাজ করে।