কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০২:৫৫ PM
কন্টেন্ট: পাতা
শিবালয় থানা পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামো মূলত বাংলাদেশ পুলিশের মানক কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে গঠিত। এটি একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার নেতৃত্বে পরিচালিত হয় এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী চেইন অফ কমান্ড অনুসরণ করে।
নিচে শিবালয় থানা পুলিশের সাংগঠনিক বিন্যাস দেওয়া হলো:
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OC - Officer-in-Charge): তিনি থানার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। থানার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক সকল কর্মকাণ্ড তার নিয়ন্ত্রণে থাকে। সাধারণত তিনি একজন পুলিশ পরিদর্শক (Inspector) পদমর্যাদার কর্মকর্তা।
ওসি-র ঠিক পরেই তার অবস্থান। তিনি মামলার তদন্ত কাজ তদারকি করেন এবং গুরুত্বপুর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটনে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেন।
থানার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেন এসআই-গণ। তারা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (IO) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, নিয়মিত টহল পরিচালনা করেন এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ (GD বা মামলা) গ্রহণ করেন।
এসআই-দের সহায়তা করা, আদালতের ওয়ারেন্ট কার্যকর করা এবং বিভিন্ন বিট পুলিশিং এলাকায় আইনশৃঙ্খলার তদারকি করা তাদের প্রধান কাজ।
মাঠ পর্যায়ে ডিউটি পালন, টহল দেওয়া, আসামী পাহারায় থাকা এবং ওসির নির্দেশ অনুযায়ী বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে সহায়তা করা।
শিবালয় থানার অধীনে সাধারণ পুলিশিং ছাড়াও কিছু বিশেষ উইং কাজ করে:
বিট পুলিশিং ইউনিট: পুরো শিবালয় থানাকে কয়েকটি বিটে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি বিটে একজন এসআই বা এএসআই দায়িত্বশীল থাকেন।
সিআরটি (CRT): বিশেষ কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা বা দাঙ্গা দমনে পুলিশের কুইক রেসপন্স টিম।
নৌ-পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ: পাটুরিয়া ঘাট এবং মহাসড়কের নিরাপত্তার জন্য থানার সাথে সমন্বয় করে নৌ-পুলিশ এবং হাইওয়ে পুলিশ পৃথকভাবে কাজ করে।
ডিএসবি (DSB): জেলা গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তারা থানায় তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত থাকেন।
| পদমর্যাদা | দায়িত্বের ধরন |
| অফিসার ইনচার্জ (OC) | সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্ব |
| পরিদর্শক (তদন্ত) | মামলার তদন্ত তদারকি |
| উপ-পরিদর্শক (SI) | তদন্ত ও টহল |
| সহকারী উপ-পরিদর্শক (ASI) | ওয়ারেন্ট ও প্রশাসনিক সহায়তা |
| কনস্টেবল | মাঠ পর্যায়ের নিরাপত্তা ও ডিউটি |