কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০২:৪৬ PM
কন্টেন্ট: পাতা
মানিকগঞ্জ জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকা হলো শিবালয় থানা। যমুনা ও পদ্মা নদীর মোহনায় অবস্থিত হওয়ার কারণে ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিকভাবে এই থানা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
এক নজরে শিবালয় থানা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
জেলা: মানিকগঞ্জ।
বিভাগ: ঢাকা।
প্রতিষ্ঠাকাল: শিবালয় থানা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে।
আয়তন: প্রায় ১৯৯.০৭ বর্গ কিলোমিটার।
ইউনিয়ন সংখ্যা: ৭টি (শিমুলিয়া, শিবালয়, উথলী, আরুয়া, তেওতা, ঘিওর ও উলাইল)।
গ্রাম: মোট গ্রামের সংখ্যা প্রায় ২০৩টি।
মৌজা: ১১৯টি।
নদ-নদী: পদ্মা ও যমুনা নদী এই থানার পাশ দিয়ে প্রবাহিত।
প্রধান ঘাট: বিখ্যাত পাটুরিয়া ফেরিঘাট এই থানায় অবস্থিত, যা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সাথে যোগাযোগের প্রধান প্রবেশপথ।
তেওতা জমিদার বাড়ি: ঐতিহাসিক এক প্রাচীন স্থাপত্য।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি: কবি এখানে অবস্থান করেছিলেন এবং তাঁর অনেক কবিতায় এই অঞ্চলের প্রভাব রয়েছে।
জাফরগঞ্জ নদী বন্দর: ঐতিহাসিকভাবে পরিচিত একটি স্থান।
পদ্মা-যমুনার মোহনা: প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়।
পেশা: কৃষি (প্রধানত ধান, তামাক, সরিষা), মৎস্য আহরণ এবং ব্যবসা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: এখানে ডিগ্রি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং অসংখ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।
একটি বিশেষ তথ্য: শিবালয় থানা এলাকাটি মূলত নৌ-পথ ও সড়ক পথের সংযোগস্থল হওয়ার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য বেশ সমৃদ্ধ।